


মোড়ের এই জমিটা দেখে যান।
উত্তরা সেক্টর ১১-এর মোড়ে ৫০ × ৭২ ফুটের এই প্লট। দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুই পাশের রাস্তাই ৪০ ফুট চওড়া। আসল ছবিগুলো দেখে নিন, তারপর জায়গাটা ঘুরে দেখুন।
উত্তরার চেনা পাড়ায়, নিজের মতো এক জায়গা।
সেক্টর ১১-এর রোড ২০। আশপাশে বাড়িঘর, দোকান আর প্রতিদিনের চলাচল—একেবারে গড়ে ওঠা পাড়া। এই প্লটে এখন যা আছে, তার আসল ছবিই দেখাচ্ছি। ভালো লাগলে জায়গাটা নিজের চোখে দেখে নিন।
জায়গাটির আসল ছবিদুই রাস্তার মুখে বাড়তি সুবিধার ভাবনা।
দেওয়া ঠিকানা অনুযায়ী প্লটটি রোড ২০ আর ২১-এর মোড়ে। আলো-বাতাস, প্রবেশপথ বা ভবিষ্যতের নকশায় এই অবস্থান কাজে আসতে পারে। ছবিতে আসল জায়গাটিই দেখানো হয়েছে। রাস্তা আর জমির সীমানা জরিপ ও সরেজমিনে মিলিয়ে নিন।
জমির তথ্য দেখুন
আজ জায়গাটা যেমন, ছবিতেও তেমন।
এখানে এখন একটি স্থাপনা আছে। পাশের রাস্তা ও আশপাশও ছবিতে দেখা যাচ্ছে। নতুন কিছু করার ভাবনা থাকলে আগে জায়গা, নিয়মকানুন আর অনুমোদনের বিষয়গুলো জেনে নিন।
সাইট ভিজিটের কথা বলুন জায়গাটির আসল ছবি
AI দিয়ে পরিষ্কার করা ছবি · বর্তমান অবস্থা নয়একটু সাজিয়ে দেখলে জায়গাটা কেমন লাগে?
আসল সাইটের ছবির ওপর AI দিয়ে এই দৃশ্যটি বানানো। বোঝার সুবিধার জন্য ছবির কিছু অংশ বদলেছে; তাই এটিকে বর্তমান অবস্থার ছবি বা অনুমোদিত নকশা ভাববেন না। পাশের আসল জায়গার ছবিগুলো দেখুন, তারপর নিজে গিয়ে মিলিয়ে নিন।
জায়গার তথ্য দেখুনএই জায়গায় কী হতে পারে—তিনটি ভাবনা।
এই তিনটি ছবি AI দিয়ে তৈরি সম্ভাবনার দৃশ্য। বাস্তবে এমন ভবন আছে, বা এমন নকশা অনুমোদন পেয়েছে—তা নয়। ভবন করতে চাইলে স্থপতি, নিয়মকানুন ও রাজউকের অনুমোদন দেখে এগোতে হবে।
সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলুন


ছবিতে দেখুন, তারপর নিজে এসে হাঁটুন।
এই ছবিগুলোতে প্লট আর তার পাশের রাস্তাগুলো দেখা যাচ্ছে। ছবি দেখে ধারণা নিন, তবে রাস্তার মুখ, চারপাশ আর বর্তমান অবস্থা বুঝতে সরেজমিনে দেখে আসুন।
সাইট ভিজিটের অনুরোধ করুন


ধারণামূলক এলাকা-নকশাকাগজগুলো দেখে তারপর সিদ্ধান্ত নিন।
জরিপপত্র ও বরাদ্দপত্রের স্ক্যান নিচে দেখা যাচ্ছে। সিদ্ধান্তের আগে আসল কাগজ, মালিকানা, হস্তান্তরের নিয়ম ও সীমানা স্বাধীনভাবে মিলিয়ে নিন। চাইলে সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের সঙ্গে দেখা করার ব্যবস্থা করতে পারি।
নথি নিয়ে কথা বলুনভালো লাগলে, এবার জায়গাটা দেখে আসুন।
ঠিকানাটা ম্যাপে দেখে নিন। তারপর সাইটে যান, কাগজপত্র দেখুন, দরকার হলে নিজের বিশেষজ্ঞকে সঙ্গে নিন। সব পরিষ্কার হলে তবেই পরের কথা।
ব্যক্তিগতভাবে কথা বলুন N.প্লটটা এক নজরে।
উত্তরা সেক্টর ১১-তে রোড ২০ আর ২১-এর মোড়ে প্লট ৭৪। দেওয়া মাপ অনুযায়ী জমি ৫০ × ৭২ ফুট—মোট ৩,৬০০ বর্গফুট বা ৫ কাঠা। দুই পাশের রাস্তাই ৪০ ফুট চওড়া বলা হয়েছে। দাম চাওয়া হচ্ছে ১৪ কোটি টাকা, আলোচনা করা যাবে। সিদ্ধান্তের আগে জরিপ, রাস্তার মাপ আর কাগজপত্র মিলিয়ে নিন।
- ০১প্লটের নিজের ছবি ও মোড়ের অবস্থান
- ০২৫০ × ৭২ ফুট প্লট; দুই পাশের রাস্তা ৪০ ফুট করে বলা হয়েছে
- ০৩চাওয়া দাম ১৪ কোটি টাকা · আলোচনাসাপেক্ষে
- ০৪জরিপপত্র ও বরাদ্দপত্রের স্ক্যান প্রকাশিত; মূল নথি মিলিয়ে নিন
- ০৫আগে সময় নিয়ে সরেজমিনে ঘুরে দেখুন
কাগজগুলো খুলে দেখুন।
দেওয়া জরিপপত্র ও বরাদ্দপত্রের স্ক্যানগুলো এখানে দেখা যাচ্ছে। এগুলো দেখে শুরু করুন; কেনার আগে আসল নথি, বর্তমান মালিকানা, বকেয়া ও হস্তান্তরের শর্ত স্বাধীনভাবে মিলিয়ে নিন।
রাজউক জরিপপত্র
সরবরাহ করা স্ক্যান প্রকাশিত। কেনার আগে মূল নথি ও বর্তমান তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করুন।
রাজউক বরাদ্দপত্র · পৃষ্ঠা ০১
সরবরাহ করা স্ক্যান প্রকাশিত। কেনার আগে মূল নথি ও বর্তমান তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করুন।
রাজউক বরাদ্দপত্র · পৃষ্ঠা ০২
সরবরাহ করা স্ক্যান প্রকাশিত। কেনার আগে মূল নথি ও বর্তমান তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করুন।
রাজউক বরাদ্দপত্র · পৃষ্ঠা ০৩
সরবরাহ করা স্ক্যান প্রকাশিত। কেনার আগে মূল নথি ও বর্তমান তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করুন।
জমির মাপটা এক নজরে।
দেওয়া মাপ অনুযায়ী জমি ৫০ × ৭২ ফুট—মোট ৩,৬০০ বর্গফুট বা ৫ কাঠা। দুই পাশের রাস্তা ৪০ ফুট করে বলা হয়েছে। ম্যাপে দেখানো মোড় অনুযায়ী সামনের ৫০ ফুট পাশে রোড ২০, বাঁ পাশের ৭২ ফুটে রোড ২১। সীমানা আর রাস্তার মাপ মূল জরিপপত্র ও সরেজমিনে মিলিয়ে নিন।
জায়গাটা ঘুরে দেখুন, নিজের মতো করে।
মডেলটা ঘুরিয়ে দেখুন, ওপর থেকে দেখুন, কিংবা দুই রাস্তার দিক থেকে দেখুন। ৫০ × ৭২ ফুটের মাপ আর দুই পাশের ৪০ ফুট রাস্তা দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দেখানো হয়েছে; সামনে রোড ২০ আর বাঁ পাশে রোড ২১ দেখানো হয়েছে; চারপাশের ভবনগুলো ধারণামূলক।
রোড ২০ আর ২১-এর মোড়টা দেখুন।
লাইভ ম্যাপের সঙ্গে ক্লায়েন্টের লাল দাগ দেওয়া রোড ম্যাপ আর স্যাটেলাইট ছবিও আছে। দাগটা জায়গা চিনতে সাহায্য করবে; জমির সঠিক সীমানা জানতে জরিপপত্র আর সরেজমিনে দেখা জরুরি।

রাস্তাসহ চিহ্নিত জায়গা
গুগল ম্যাপের এই ছবিতে লাল দাগ দিয়ে জায়গাটা দেখানো হয়েছে। দাগটি জরিপের সীমানা নয়; ছবির নিচে গুগলের মূল ক্রেডিটও রাখা আছে।

ওপর থেকে আশপাশটা দেখুন
একই জায়গার স্যাটেলাইট ছবি। চারপাশটা বোঝার জন্য ভালো, কিন্তু জমির সঠিক সীমানা জানতে জরিপ আর সরেজমিনে দেখা লাগবে। ছবিতে গুগলের মূল ক্রেডিট রাখা আছে।

চারপাশের রাস্তা এক নজরে
আগের ধারণামূলক এলাকা-নকশা। জায়গা চিনতে সাহায্য করবে; এটি জরিপের সীমানা বা সরকারি নকশা নয়।
এই ঠিকানার চারপাশে কী আছে?
প্লটের পিন থেকে ৯ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে গুগল ম্যাপে গাড়ির পথ দেখে দূরত্বগুলো লেখা হয়েছে। রাস্তা বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে লাইভ পথ দেখে নিন।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
বিমানবন্দরে যাওয়ার রাস্তা প্লটের এই পিন থেকে প্রায় ৭.৬ কিমি। যাত্রার দিন ম্যাপে আবার দেখে নিন।
লাইভ পথ দেখুন Md Shaifuzzaman Ayon · CC BY-SA 4.0 · ছবির উৎস
জমজম টাওয়ার
কেনাকাটার পরিচিত জমজম টাওয়ারে গাড়ির পথ প্রায় ১.১ কিমি।
লাইভ পথ দেখুন Wasiul Bahar · CC BY-SA 4.0 · ছবির উৎস
আইইউবিএটি ক্যাম্পাস
আইইউবিএটি ক্যাম্পাসে গাড়ির পথ প্রায় ২.৬ কিমি।
লাইভ পথ দেখুন আদিব এহসান · CC BY-SA 3.0 · ছবির উৎস
উত্তরা লেক
উত্তরা লেকে গাড়ির পথ প্রায় ২.১ কিমি। ছবিটি লেকের, প্লট বা সেক্টর ১১ পার্কের নয়।
লাইভ পথ দেখুন Wasiul Bahar · CC BY-SA 4.0 · ছবির উৎসউত্তরা সেক্টর ১১ পার্ক
সেক্টর ১১ পার্কে গাড়ির পথ প্রায় ১.৪ কিমি। লাইভ গুগল ম্যাপে জায়গাটি দেখে নিতে পারেন।
লাইভ পথ দেখুনউত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতাল
সেক্টর ৩-এর মূল উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে গাড়ির পথ প্রায় ২.৯ কিমি। যাওয়ার আগে লাইভ ম্যাপে পথটা দেখে নিন।
লাইভ পথ দেখুনসেক্টর ১১ কাঁচাবাজার
সেক্টর ১১ কাঁচাবাজারে গাড়ির পথ প্রায় ৫৫০ মিটার। দৈনন্দিন বাজার খুব কাছেই।
লাইভ পথ দেখুন
উত্তরা নর্থ টাওয়ার
নর্থ টাওয়ারে গাড়ির পথ প্রায় ২.৬ কিমি। দোকান ও খোলার সময় বদলাতে পারে।
লাইভ পথ দেখুন Aashaa · CC BY-SA 4.0 · ছবির উৎস
জায়গাটির আসল ছবিকাগজ মিলিয়ে, তারপর সিদ্ধান্ত।
দেওয়া রাজউক জরিপপত্র ও বরাদ্দপত্রের স্ক্যান এই পৃষ্ঠায় দেখা যাচ্ছে। এসব ছবি সরকারি নিশ্চয়তা নয়। আসল কাগজ, বর্তমান মালিকানা, হস্তান্তরের অনুমতি, বকেয়া, মাপ ও রাস্তার অবস্থান কর্তৃপক্ষ, আইনজীবী ও জরিপকারীর সঙ্গে মিলিয়ে নিন—টাকা দেওয়ার আগে।
চাইলে আমরা আইনজীবী ও জরিপকারীর সঙ্গে দেখা করার ব্যবস্থা করে দিতে পারি। কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় যাচাইয়ের ব্যবস্থাও করতে সাহায্য করব—যাতে সিদ্ধান্তের আগে সবকিছু মিলিয়ে নেওয়া যায়।
যাচাইয়ের নিয়ম জানুনসম্ভাবনাটি কাছ থেকে দেখুন।
প্লটটা দেখতে বা কাগজপত্র নিয়ে কথা বলতে চাইলে জানান। সময় আর প্রাপ্যতা মিলিয়ে আমরা যোগাযোগ করব।
মূল্যপ্রস্তাব চাই