


মাওনায় বড় শিল্পজমি। নতুন পরিকল্পনার সুযোগ।
আসল ভিডিও, ধারণামূলক থ্রিডি মডেল আর মাওনার শিল্পাঞ্চলের অবস্থান—সব মিলিয়ে জায়গাটা দেখে নিন। বিক্রেতার হিসাবে ১০ বিঘা; চাওয়া দাম ৪০ কোটি টাকা।
যেখানে কাজ হতো, সেখানে নতুন কাজের ভাবনা।
এটি খালি জমি নয়—এখানে আগে টেক্সটাইল কারখানা চলত। দেওয়া ভিডিওতে খোলা জায়গা, থাকার কক্ষ, প্রোডাকশন হল আর ছাদ থেকে চারপাশ দেখা যায়। নতুন কাজে কতটা উপযোগী, সেটা প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ দিয়ে দেখে নিন।
জায়গার আসল ভিডিও থেকে নেওয়া ছবিকারখানার সীমানায় খোলা জায়গাও আছে।
গেট থেকে ভেতরের ভিডিওতে স্থাপনার মাঝেও সবুজ ও পাকা খোলা জায়গা দেখা যায়। কোন অংশ কতটা ব্যবহারযোগ্য, সেটা নতুন জরিপ ও সাইট প্ল্যানে বোঝা যাবে।
জায়গাটা দেখতে চান?ভেতরের পথ ধরে ঘুরে দেখুন।
ক্লায়েন্টের দেওয়া দীর্ঘ ভিডিও থেকে সংক্ষিপ্ত অংশ। বিস্তারিত জানতে চাইলে পুরো রেকর্ডিংও দেখা যাবে।
জায়গার আসল ভিডিও থেকে নেওয়া ছবিবড় শেড আছে—অবস্থা নিজে দেখে নিন।
দেওয়া তথ্যপত্রে লোহার কাঠামোর ৪৮,০০০ বর্গফুট শেড আর আগের ১৬,০০০ স্পিন্ডল সক্ষমতার কথা আছে। ভিডিওতে হলের ভেতর যন্ত্রপাতি দেখা যায়। শেডের আসল মাপ, কাঠামোর অবস্থা, উৎপাদনক্ষমতা ও যন্ত্রপাতির মালিকানা আলাদা করে যাচাই করুন।
দেওয়া তথ্য দেখুনপ্রোডাকশন হলের ভেতরটা দেখুন।
কারখানার ঘরের ভিডিও থেকে সংক্ষিপ্ত, শব্দহীন অংশ। ভিডিওতে যা দেখা যায় তা বর্তমান কার্যক্রম বা যন্ত্রপাতির মালিকানা নিশ্চিত করে না।
জায়গার আসল ভিডিও থেকে নেওয়া ছবিমূল হলের বাইরেও দেখার মতো অনেক কিছু আছে।
তথ্যপত্রে অফিস, গুদাম, জেনারেটর আর সীমানাপ্রাচীরের উল্লেখ আছে। আলাদা ভিডিওতে কক্ষ, ঢাকা বারান্দা আর ছাদে ওঠার সিঁড়ি দেখা যায়। প্রতিটি অংশের কাগজ, অবস্থা ও ব্যবহারযোগ্যতা দেখে নিন।
সহায়ক স্থাপনাগুলোও ঘুরে দেখুন।
দেওয়া ভিডিও থেকে কক্ষগুলোর সংক্ষিপ্ত অংশ। সাইট ভিজিটে দখল আর অনুমোদিত ব্যবহার সম্পর্কে জেনে নিন।
ছাদ থেকে চারপাশের শিল্পাঞ্চল দেখুন।
দেওয়া ছাদের ভিডিওতে আশপাশের কারখানা, ছাদ আর সবুজ জায়গা বোঝা যায়। এতে কার জমি কোথায় শেষ হয়েছে, সেটা বোঝা যায় না।
ছাদে ওঠার পথটাও দেখুন।
সিঁড়ির আসল ভিডিও। ছাদ ব্যবহার বা ভার বহনের সক্ষমতা জানতে প্রকৌশলীর পরীক্ষা দরকার।
জায়গাটাকে ছবিতে আরও কাছ থেকে দেখুন।
ক্লায়েন্টের দেওয়া আসল ভিডিও থেকে ছবিগুলো নেওয়া। পরে আলাদা ফটোশুট হবে; ভিজিটে বর্তমান অবস্থা মিলিয়ে নিন।





জমি মাপুন, সম্পদ গুনুন, সংযোগ যাচাই করুন।
১০ বিঘা, ৩২৭ শতক আর ২৯০ × ৪৯৫ ফুট—তিনটি হিসাবে যে ফারাক আছে, জরিপে তা মেলাতে হবে। চাইুন নতুন জরিপ, দলিলের ধারাবাহিকতা, নামজারি ও করের কাগজ; ভবন ও অগ্নিনিরাপত্তার নথি; গ্যাস মিটার ও বিল; যন্ত্রপাতি ও মালামালের তালিকা; আর আগের শিল্পকারখানার ব্যবহার অনুযায়ী পরিবেশগত পরীক্ষা।
বিশেষজ্ঞ নিয়ে জায়গা দেখুনজায়গাটা দেখে তবেই সিদ্ধান্ত নিন।
কী ধরনের কারখানা বা শিল্পকাজের কথা ভাবছেন জানান। জায়গা দেখার সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজ ও বিশেষজ্ঞের যাচাই সাজাতে সাহায্য করব।
জায়গা দেখতে যোগাযোগ করুন N.কাজের জায়গা বড়। কাগজ আগে মিলিয়ে নিন।
মাওনার শিল্পাঞ্চলে আশফাক টেক্সটাইলের সাবেক কারখানার জায়গা—বিক্রেতার তথ্য অনুযায়ী প্রায় ১০ বিঘা। ৪৮,০০০ বর্গফুটের শেড, অফিস ও অন্যান্য স্থাপনার কথা দেওয়া হয়েছে। চাওয়া দাম ৪০ কোটি টাকা। জমির মাপ, গ্যাস সংযোগ, যন্ত্রপাতি ও অবশিষ্ট মালামাল আলাদা করে যাচাই করে নিন।
- ০১মাওনার শিল্পাঞ্চলে বিক্রেতার তথ্য অনুযায়ী প্রায় ১০ বিঘা জমি
- ০২দেওয়া তালিকায় ৪৮,০০০ বর্গফুট শেড ও দুইতলা অফিসের উল্লেখ আছে
- ০৩সরবরাহ করা ভিডিওতে খোলা জায়গা, কক্ষ ও প্রোডাকশন হল দেখা যায়
- ০৪গ্যাস সংযোগ ও যন্ত্রপাতির তথ্য মূল কাগজ ও সরেজমিনে যাচাই করতে হবে
- ০৫গুগল ম্যাপে মাওনা চৌরাস্তা পর্যন্ত গাড়ির পথ প্রায় ৩.৯ কিমি
চিহ্নিত ছবিতে জায়গার বিন্যাস।
ক্লায়েন্টের চিহ্নিত স্যাটেলাইট ছবির সীমানা ধরে এই নকশা। উত্তরে B1 শেড, দক্ষিণে B2–B5 ছাদ, খোলা G1/G2 আর মাঝের R1 পথ দেখানো হয়েছে। ৯২০/৯৬৫/৭১০/৫৮৫—এগুলো ছবির পিক্সেল, ফুট নয়। বিক্রেতার ১০ বিঘা, ৩২৭ শতক ও ২৯০ × ৪৯৫ ফুটের হিসাব জরিপে মিলিয়ে নিতে হবে।
চিহ্নিত জায়গাটা থ্রিডিতে ঘুরে দেখুন।
ক্লায়েন্টের চিহ্নিত ছবির বাঁকানো সীমানা আর B1–B5 ছাদের অবস্থান ধরে নতুন মডেল। ছবির পিক্সেলের অনুপাত রাখা হয়েছে; আসল মাপ, ছাদগুলো যুক্ত কি না, উচ্চতা আর গেটের অবস্থান যাচাই বাকি।
শিল্পাঞ্চলের মাঝেই এই ঠিকানা।
দেওয়া গুগল ম্যাপের পিন দেখে যাওয়ার পথ ঠিক করুন। গেট, ট্রাকের চলাচলের পথ আর জমির সীমানা সরেজমিনে দেখে নিন।

দেওয়া স্যাটেলাইট ছবি
ক্লায়েন্টের দেওয়া গুগল ম্যাপের ছবি। পিনটি জায়গা চেনায়, আইনি সীমানা দেখায় না।

মাওনা আর এন৩ সড়কপথ
ক্লায়েন্টের দেওয়া ম্যাপে শিল্পাঞ্চল আর মাওনা চৌরাস্তার অবস্থান দেখা যায়।

ক্লায়েন্টের চিহ্নিত সীমানা ও ভবনের ছবি
চিহ্নিত সীমানা, B1–B5, G1/G2 আর R1 শুধু ছবির রেফারেন্স। পিক্সেল মাটির মাপ নয়; সম্ভাব্য গেটের অবস্থানও নিশ্চিত করতে হবে।
চারপাশে কাজের চেনা পরিবেশ।
দেওয়া পিন থেকে ১২ অক্টোবর ২০২৬ গুগল ম্যাপে গাড়ির পথ দেখে দূরত্ব লেখা হয়েছে। রাস্তা ও সময় বদলাতে পারে—যাওয়ার আগে লাইভ পথ দেখুন। ছবিগুলো ক্লায়েন্টের দেওয়া ম্যাপ, উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ছবি নয়।

এশিয়া কম্পোজিট মিলস
একই এলাকার কাছের আরেকটি টেক্সটাইল প্রতিষ্ঠান। দূরত্বটি গাড়ির পথ, জমির সীমানার মাপ নয়।
লাইভ পথ দেখুন Client-supplied Google Maps capture · ছবির উৎস
নাইস ডেনিম মিলস
মাওনার আশপাশের শিল্পাঞ্চলে আরেকটি পরিচিত উৎপাদন প্রতিষ্ঠান।
লাইভ পথ দেখুন Client-supplied Google Maps capture · ছবির উৎস
মাওনা বাজার
স্থানীয় কেনাকাটা ও দৈনন্দিন সেবার জন্য মাওনা বাজার।
লাইভ পথ দেখুন Client-supplied Google Maps capture · ছবির উৎস
মাওনা চৌরাস্তা / এন৩
ঢাকা–ময়মনসিংহ সড়কের দিকে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ। ভারী গাড়ির পথ আর মোড় নেওয়ার জায়গা সরেজমিনে দেখে নিন।
লাইভ পথ দেখুন Client-supplied Google Maps capture · ছবির উৎস
ক্লায়েন্টের দেওয়া গুগল ম্যাপের ছবি · জরিপ নয়বড় সিদ্ধান্তের আগে বড় যাচাই।
জমির পরিমাণ, মাপ, ভবন, গ্যাস সংযোগ, যন্ত্রপাতি আর অবশিষ্ট মালামালের মূল্য—সবই বিক্রেতার দেওয়া তথ্য ও ভিডিও থেকে নেওয়া। তথ্যপত্রে ৩২৭ শতকও লেখা আছে; এটি ১০ বিঘার প্রচলিত হিসাবে প্রায় ৩৩০ শতক বা ২৯০ × ৪৯৫ ফুটের ১,৪৩,৫৫০ বর্গফুটের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। সিদ্ধান্তের আগে দলিল, জরিপ, সীমানা, অনুমোদন, পরিবেশগত দায়, গ্যাসের কাগজ, যন্ত্রপাতির মালিকানা ও মালামালের তালিকা মিলিয়ে নিন।
চাইলে জরিপকারী, আইনজীবী, প্রকৌশলী, গ্যাস কর্তৃপক্ষ ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে জায়গা দেখার ব্যবস্থা করে দিতে পারি।
যাচাইয়ের নিয়ম জানুনআপনার শিল্পপরিকল্পনা নিয়ে জায়গাটা দেখে যান।
জায়গা দেখতে, মূল কাগজ বা যন্ত্রপাতির তালিকা জানতে লিখুন। সময় ও প্রাপ্যতা মিলিয়ে আমরা যোগাযোগ করব।
মূল্যপ্রস্তাব চাই